যুদ্ধ ও যুদ্ধবিরতির সময় ১৮ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রির দাবি ইরানের

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এবং পরবর্তী যুদ্ধবিরতির সময় মোট ১৮ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রির দাবি করেছে ইরান।

দেশটির তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও তেল রফতানি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে তারা।

রবিবার তেল মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালে ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং যুদ্ধবিরতির সময় আরও ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ সময়ে তেল বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ বিলিয়ন ডলারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলমান সংকটের মধ্যেও এই আয় চলতি অর্থবছরের বাজেটে নির্ধারিত তেল আয়ের ৬০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করেছে। এতে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক চাপ ও সামরিক সংঘাত সত্ত্বেও ইরান তার জ্বালানি রফতানি থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে ইরানের এই দাবির সঙ্গে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের আগের বক্তব্যের অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। গত জুনের শেষ দিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করায় দেশটি কোনও তেলই রফতানি করতে পারেনি।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে লড়াই অনেকটাই থেমে যায়।

কিন্তু চলতি মাসের শুরুতে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে আবারও সংঘাত শুরু হয়। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যায়।

ইরানের তেল বিক্রির সর্বশেষ এই দাবি এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশটি একদিকে সামরিক চাপ এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জ্বালানি রফতানি অব্যাহত রাখার সক্ষমতা তুলে ধরতে চাইছে। তবে ইরানের তেল বিক্রির এই পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: গালফ নিউজভয়েস অব আমিরাত, আল-জাজিরা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» পার্লামেন্টই হবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু, বিরোধীদলকে সম্পাদকদের পরামর্শ

» চবিকে ১০টি নতুন বাস উপহার দিচ্ছে জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন

» রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হলেন ইউনুস আলী

» তারেক রহমান আমাদের কাজী নজরুল: চিফ হুইপ

» রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ

» মেয়েদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

» রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

» প্রথম সফরে ঠাকুরগাঁও যাবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

» স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে এনসিপি: সারজিস আলম

» রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমাবেশে অনুমতি না দেওয়ার প্রতিবাদ এনসিপির

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

যুদ্ধ ও যুদ্ধবিরতির সময় ১৮ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রির দাবি ইরানের

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এবং পরবর্তী যুদ্ধবিরতির সময় মোট ১৮ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রির দাবি করেছে ইরান।

দেশটির তেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও তেল রফতানি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে তারা।

রবিবার তেল মন্ত্রণালয়ের সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধ চলাকালে ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার এবং যুদ্ধবিরতির সময় আরও ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের তেল বিক্রি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ সময়ে তেল বিক্রির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮ বিলিয়ন ডলারে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলমান সংকটের মধ্যেও এই আয় চলতি অর্থবছরের বাজেটে নির্ধারিত তেল আয়ের ৬০ শতাংশেরও বেশি পূরণ করেছে। এতে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক চাপ ও সামরিক সংঘাত সত্ত্বেও ইরান তার জ্বালানি রফতানি থেকে উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় করতে সক্ষম হয়েছে।

তবে ইরানের এই দাবির সঙ্গে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের আগের বক্তব্যের অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে। গত জুনের শেষ দিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করায় দেশটি কোনও তেলই রফতানি করতে পারেনি।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে ইরানকে কেন্দ্র করে সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে লড়াই অনেকটাই থেমে যায়।

কিন্তু চলতি মাসের শুরুতে সেই যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলে আবারও সংঘাত শুরু হয়। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যায়।

ইরানের তেল বিক্রির সর্বশেষ এই দাবি এমন এক সময়ে এলো, যখন দেশটি একদিকে সামরিক চাপ এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও জ্বালানি রফতানি অব্যাহত রাখার সক্ষমতা তুলে ধরতে চাইছে। তবে ইরানের তেল বিক্রির এই পরিসংখ্যান স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: গালফ নিউজভয়েস অব আমিরাত, আল-জাজিরা

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

 

ইমেল: [email protected]

ফোন নাম্বার : ০১৫৩৫১৩০৩৫০,

Design & Developed BY ThemesBazar.Com